‘শেখ হাসিনার নিরাপত্তার ব্যাপারে মমতা-রাহুল কিংবা মোদি সবাই একমত’
ভারতে শেখ হাসিনার অবস্থান ও কূটনৈতিক মর্যাদা নিয়ে বিএনপি সরকারের বিভিন্ন বক্তব্যের বিপরীত অবস্থান তুলে ধরেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির সহ-মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দা আসিফা আশরাফ পাপিয়া।
একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সরাসরি টকশোতে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে মতভেদ থাকলেও শেখ হাসিনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাঁর পাশে থাকার প্রশ্নে দেশটির প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান অভিন্ন।
টিভি টকশোতে বিএনপির এই নেত্রী বলেন, বিএনপি যে আশায় বসে আছে যে ভারতের সরকার পরিবর্তন হলে কিংবা অভ্যন্তরীণ চাপ বাড়লে শেখ হাসিনার অবস্থান সংকটে পড়বে—এটি সম্পূর্ণ ভুল ও অবাস্তব এক ধারণা।
ভারতের মূলধারার রাজনীতির অভ্যন্তরীণ সমীকরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, “ভারতে নরেন্দ্র মোদি, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী কিংবা পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে। কিন্তু চারবারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তা, আবাসন এবং তাঁর মর্যাদা রক্ষা করার ব্যাপারে নরেন্দ্র মোদি, রাহুল গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবাই একমত।”
তিনি আরও বলেন, “ভারতের কোনো দলই শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার বিরোধিতা করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না।”
৫ই আগস্টের পটপরিবর্তনের পর বিএনপি-জামায়াত চক্র ও অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা প্রচার চালিয়েছিল যে, ভারত সরকার হয়তো বেশিদিন শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেবে না বা কূটনৈতিক চাপ তৈরি করা যাবে। তবে টকশোতে দীর্ঘদিন রাজনীতি করা বিএনপি নেত্রী অ্যাডভোকেট পাপিয়ার এই বিশ্লেষণ সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অবস্থান।
অ্যাডভোকেট আসিফা আশরাফ পাপিয়া তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার আলোকে যে বিষয়টি বলতে চাইছেন, তা হলো, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সাথে সমগ্র ভারতবর্ষের বিভিন্ন পক্ষের সাথে যে সম্পর্ক তা কেবল কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা দলের সাথে নয়, বরং তা পুরো ভারতের রাষ্ট্রীয় নীতির অংশ।
News Editor : Shahrina Sharmin







