সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে ৭.৫২ শতাংশ
দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারদর লাগামহীনভাবে বেড়ে চলেছে। কনজ্যুমার্স ফোরামের (সিএফ) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর ২০২৬—এই দুই মাসেই নিত্যপণ্যের দাম গড়ে ৭.৫২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সেপ্টেম্বরে ৩.১৩ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধির পর সদ্য বিদায়ী অক্টোবরে নতুন করে আরও ৪.৩৯ শতাংশ দর বেড়েছে।
সংস্থাটির সরেজমিন বাজার জরিপে অক্টোবরে মোট ১৫টি অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের দাম বাড়ার চিত্র উঠে এসেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে মাছের, যা গড়ে ১১.৭২ শতাংশ। এছাড়া মসলাজাতীয় পণ্য যেমন লবঙ্গ, এলাচ, দারুচিনি ও জিরার দাম বেড়েছে ১০.৩০ শতাংশ। একই সঙ্গে পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দামেও ৭.৭৯ শতাংশ ঊর্ধ্বগতি রেকর্ড করা হয়েছে।
এছাড়াও জ্বালানি তেলে বৃদ্ধি পেয়েছে ৬.০২ ভাগ, চিনি বৃদ্ধি পেয়েছে ৪.৯৩ ভাগ, ভোজ্য তেল ও ডালডায় বৃদ্ধি পেয়েছে ৪.৮০ ভাগ, চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে গড়ে ২.৬২ ভাগ, আটা-ময়দায় বেড়েছে ৩.২৫ ভাগ, ডিমের দাম আবারো বৃদ্ধি পেয়েছে ১.৪২ ভাগ, চায়ের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ০.১৪ ভাগ এবং মাংসের দাম বেড়েছে ০.৩৮ ভাগ।
অপরদিকে, ৭টি পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল অবস্থায় আছে। এগুলো হচ্ছে লবন, দুগ্ধজাত পণ্য, ব্রাশ-ট্রুথপেস্ট, চানাচুর-বিস্কুট, নিত্যব্যবহৃত ১১টি ব্রান্ডের ওষুধ এবং খাতা কলম।
অন্যদিকে দুইটি পণ্যের দাম কমেছে, যেমন- শাক-সবজি ৩.১২ শতাংশ এবং সোনা-রূপায় কমেছে ৪.৭৭ ভাগ।
যশোর, বগুড়া ও রংপুর এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শীতকালিন শাক-সবজি বাজারে উঠতে শুরু করেছে।
কৃষি পণ্যের উৎপাদনকারীরা বলছে, তারা উৎপাদন খরচ শাক-সবজি বিক্রি করে উঠাতে পারছে না।
বগুড়া, রংপুরে প্রতিটি ফুল ও বাধাকপি ৬-১২ টাকা, মূলা ৬-৮ টাকা, লাউ একটা ৮-১০ টা, কলার হালি ৫-৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। একই পণ্য ঢাকায় বিক্রি হচ্ছে, ফুল ও বাধাকপি ৫০ টাকা, পেপে ৩০ টাকা, মূলা ৩০ টাকা, লাউ ৬০ টাকা ও কাঁচকলার হালি ৪০-৫০ টাকা।
News Editor : Fokhrul Islam








