ডিএসসিসি প্রশাসক সালাম: চাঁদাবাজ বলতে কিছু নাই
ঢাকার নির্ধারিত সড়ক ও ফুটপাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে লাইসেন্সবিহীন হকারদের বসতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। হকারদের কাছে কোনো লাইনম্যান বা চাঁদাবাজ টাকা চাইলে তাকে ধরে সিটি কর্পোরেশনে নিয়ে আসার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।
রাজধানীর গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট থেকে গোলাপ শাহ মাজার পর্যন্ত হকার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। অভিযান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসব মন্তব্য করেন আবদুস সালাম। তিনি বলেন, ‘আপনার কাছে যদি এসে থাকে কোনো লাইনম্যান, কোনো চাঁদাবাজ, আমার কাছে নিয়ে আসবেন। কাজেই চাঁদাবাজ বলতে কিছু নাই, লাইনম্যান বলতে কিছু নাই।’
ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, কাকরাইলের মোড় থেকে সদরঘাট পর্যন্ত সড়কে হকার বসার অনুমতি থাকবে না। মিরপুর রোড থেকে নিউমার্কেট হয়ে আজিমপুর পর্যন্ত সড়কেও বসতে দেওয়া হবে না তাদের।
তবে পথচারীদের চলাচলের জন্য যথেষ্ট জায়গা রেখে কিছু নির্দিষ্ট স্থানে ফুটপাতের ভেতরে হকারদের বসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। হকারদের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনার কথা উল্লেখ করে আবদুস সালাম বলেন, নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তারা। যানবাহন চলাচলের সুবিধার কথা বিবেচনা করে গুলিস্তান সিনেমা হল ও রমনা ভবনের সামনে কিছু জায়গা ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ফুটপাতেরও নির্দিষ্ট অংশে বসার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সড়ক কিংবা পুরো ফুটপাত হকারদের ছেড়ে দেওয়া হবে না। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তাদের সহযোগিতা দরকার।
ফুটপাত পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব হকারদের নিজেদেরই নিতে হবে বলে জানান তিনি। বসার জায়গা পরিষ্কার না রাখলে সেখানে ব্যবসার অনুমতি দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে বারবার অভিযান চালিয়ে ফুটপাতের পাশাপাশি সড়কও পরিচ্ছন্ন করা হবে।
সচিবালয়ের বিপরীত পাশের সড়কে হকার বসা নিয়েও সতর্কবার্তা দিয়েছেন ডিএসসিসি প্রশাসক।
তার ভাষ্য, ওই এলাকা ছেড়ে যেতে হকারদের তিন দিন ধরে বলা হচ্ছে। এর আগে রাতেও সেখানে গিয়ে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সচিবালয় সংরক্ষিত ও নিরাপত্তাসংবেদনশীল এলাকা হওয়ায় সেখানে হকার বসতে পারবেন না।
News Editor : Abul Hasnat Milton








