জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া উচিত: নুরুল হক
প্রয়োজনে রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী এবং গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুরাতন ভবনের একটি কেবিনে কুষ্টিয়ায় জামায়াত-শিবির ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষে আহত ছাত্র অধিকার পরিষদ নেতা সোহানুর রহমান সোহানকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
নুরুল হক নূর বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় জামায়াত-শিবিরের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল, পরে অন্তর্বর্তী সরকার সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে। এখন নির্বাচিত সরকারকে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। প্রয়োজন হলে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য তৈরি করে জামায়াত-শিবিরের মতো উগ্রপন্থী সংগঠনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
তার আশঙ্কা, এসব সংগঠনকে নিষিদ্ধ না করা হলে দেশে উগ্রবাদ আরও বিস্তার লাভ করতে পারে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী দাবি করেন, জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডের যোগসূত্র রয়েছে এবং তাদের মাধ্যমে জঙ্গি সংগঠনগুলো বাংলাদেশে তৎপরতা চালানোর সুযোগ পেতে পারে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, সংগঠনটির ক্যাডারদের অস্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণ রয়েছে।
নুরুল হক নূরের ভাষ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় জামায়াত-শিবির নিপীড়নের শিকার হলেও সাম্প্রতিক সময়ে তাদের কর্মকাণ্ডে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। তার মতে, এখন থেকেই এ ধরনের উগ্রবাদী কর্মকাণ্ড প্রতিহত করা প্রয়োজন, তা না হলে এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।
তিনি আওয়ামী লীগ ও জামায়াত-শিবিরকে একই ধরনের ফ্যাসিবাদী প্রবণতার সঙ্গে তুলনা করেন। পাশাপাশি জামায়াতের কয়েকজন নেতার বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি।
নুরুল হক নূর আরও অভিযোগ করেন, সংসদ সদস্য আমির হামজা বিভিন্ন সময়ে নারী সংসদ সদস্যদের নিয়ে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তার দাবি, এসব বক্তব্যের প্রতি জামায়াতের সমর্থন রয়েছে। সাতক্ষীরার সংসদ সদস্য নজরুল ইসলামের কর্মকাণ্ড নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।








