বঙ্গবন্ধুর ৫১তম শাহাদতবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের আহ্বান
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদতবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালনের জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদ। শুক্রবার এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের আহ্বায়ক ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, কো-আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এম. অহিদুজ্জামান ও সদস্যসচিব কৃষিবিদ মিজানুর রহমান এ আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, পাকিস্তানি শাসনামলের শোষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে ধাপে ধাপে আন্দোলনের মাধ্যমে স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুত করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাঙালির অধিকার আদায়ের আন্দোলন করতে গিয়ে তিনি জীবনের প্রায় ১৪ বছর কারাগারে কাটিয়েছেন।
মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযোদ্ধাদের অন্যতম প্রধান অনুপ্রেরণা ছিলেন উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ এবং অসংখ্য নারীর সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ১৯৬৯ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তির পর বাঙালি জাতি শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করে। পরে ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে দেশে ফেরার পর তাঁকে ‘জাতির পিতা’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
বঙ্গবন্ধুর সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়ন এবং দেশকে স্বল্পোন্নত দেশের মর্যাদায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে হত্যার ঘটনাকে ‘মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন’ হিসেবে উল্লেখ করেছে পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদ। ওই ঘটনায় নিহত বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যসহ অন্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয় বিবৃতিতে।
দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং অত্যাচার-নির্যাতনমুক্ত শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, তাঁর ৫১তম শাহাদতবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালন করা উচিত।
বিবৃতিটি গণমাধ্যমে পাঠান পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ জামাল।








