Saturday 25 July, 2026

মধ্যরাতে ভিডিও বার্তায় আন্দোলনকারীদের যা বললেন মোদী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: 12:30, 24 July 2026

মধ্যরাতে ভিডিও বার্তায় আন্দোলনকারীদের যা বললেন মোদী

মধ্যরাতে ভিডিও বার্তায় আন্দোলনকারীদের যা বললেন মোদী

চলমান বিক্ষোভের মধ্যে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট গঠনের বিধান এবং কঠোর শাস্তির প্রস্তাবসহ একটি খসড়া বিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।

ভিডিওর সঙ্গে দেওয়া পোস্টে মোদী লিখেন, আগামীকালের মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হবে।

ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি জানি, প্রশ্নফাঁস কোনো সাধারণ ঘটনা নয়। লাখো শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকের জন্য এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। গত আড়াই মাসে সরকার এ ঘটনায় একাধিক বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। দায়ীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তারা বর্তমানে কারাগারে রয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব ছিল শিক্ষার্থীদের একটি শিক্ষাবর্ষ নষ্ট হতে না দেওয়া। তাই অল্প সময়ের মধ্যে প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা আয়োজন করা হয়েছে এবং সম্প্রতি ফলাফলও প্রকাশ করা হয়েছে।

মোদী আরও বলেন, আমরা এখানেই থেমে থাকছি না। আমি সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট গঠনের নির্দেশ দিয়েছি। তারা রাতভর কাজ করে একটি খসড়া প্রস্তুত করেছে। এতে দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। আগামীকালের মন্ত্রিসভা বৈঠকে এটি নিয়ে আলোচনা হবে।

তিনি জানান, মন্ত্রিসভার সদস্যদের মতামত যুক্ত করে বিলটির চূড়ান্ত রূপ দেওয়া হবে এবং সংসদের চলতি অধিবেশনের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই এটি দ্রুত পাস করানোর চেষ্টা করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু নেই। যারা তাদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার চেষ্টা করবে, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে মোদী প্রথমবারের মতো প্রশ্নফাঁস বিতর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেন এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট গঠনের ঘোষণা দেন।

এদিকে প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে বিরোধী দলগুলো কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করে আসছে। পাশাপাশি চলমান সংসদ অধিবেশনে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনারও দাবি জানানো হয়েছে। একই ইস্যুতে সংসদের ভেতরে ও বাইরে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।